ডেস্ক রিপোর্ট ॥ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তিনি বলেন, তরুণরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, এবং তাদের মধ্যে অনেকে নির্বাচিত হবেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার নয়। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো সৃজনশীলতা জাগ্রত করা এবং শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে শেখানো।
ড. ইউনূস আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কেবল চাকরিপ্রার্থী নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি এবং নতুন কিছু তৈরির সাহস বিকশিত করতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শিক্ষাই হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের পরিবর্তনের শক্তি।
সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা সহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ ও কূটনীতিকরা অংশ নেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) জানায়, এই সম্মেলন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত।
ড. ইউনূস মনে করান, দক্ষিণ এশিয়া রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক বিভাজনের কারণে তার সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারে না। তাই শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং নেতৃত্বের বিকাশ অপরিহার্য।
