নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চৌয়ারীপাড়া এলাকার ইউপি সদস্য আ. জলিল খানের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে স্থানীয় অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে দলীয় প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলেন—এমন অভিযোগ তুলছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, ওই সময়ে শেখ হাসিনার সরকার বা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কেউ প্রকাশ্যে কথা বললেই তাকে হেনস্তা ও হয়রানির শিকার হতে হতো। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় এক ধরনের আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন আ. জলিল খান—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে তিনি নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে নতুন করে তৎপর হয়ে ওঠেন। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বিএনপি নেতাকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এখনো ইউপি সদস্য পদে বহাল রয়েছেন।
এদিকে সম্প্রতি বিএনপি দলে যোগ দেওয়ার জন্য আ. জলিল খানের দফায় দফায় বৈঠক ও যোগাযোগের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ক্ষমতার পালাবদলে নিজের প্রভাব ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তিনি নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ের খোঁজে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
চৌয়ারীপাড়ার সাধারণ মানুষ বলছেন, যে ব্যক্তি একসময় আওয়ামী লীগের দাপটে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন, আজ তিনি আবার ভিন্ন ব্যানারে জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা করছেন—এটি স্থানীয় রাজনীতির জন্য উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত। তারা মনে করছেন, রাজনৈতিক আদর্শ নয় বরং ক্ষমতার কাছাকাছি থাকাই তার মূল লক্ষ্য।
