ঢাকাশনিবার , ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মঙ্গলবারের মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ!

নিজস্ব প্রতিবেদন
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ ৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে শপথ আয়োজনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে পারে। একই দিনে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করবে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের পর প্রশাসনিক ও প্রোটোকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে তিন থেকে চার দিন সময় প্রয়োজন। সেই সময়সীমা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা এগোচ্ছে। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা, আমন্ত্রণ ও সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর দায়িত্ব বিদায়ী স্পিকারের ওপর বর্তায়। তবে বিদায়ী স্পিকার প্রকাশ্যে না থাকায় পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। নিয়ম অনুসারে তিন দিনের মধ্যে স্পিকার শপথ না পড়ালে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ফলে সাংবিধানিক বিকল্প পথ এখন আলোচনায় এসেছে।

এদিকে বিদায়ী ডেপুটি স্পিকার কারাগারে থাকায় বিকল্প প্রক্রিয়াও জটিল হয়ে পড়েছে। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে স্পিকারের মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে শপথ নেওয়ার বিধান থাকলেও রাজনৈতিক বাস্তবতায় সেটি কার্যকর করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতি এলে তিন দিনের অপেক্ষা ছাড়াই শপথ আয়োজনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের নির্বাচন সাংবিধানিক নির্ধারিত সময়সূচির বাইরে হওয়ায় শপথ প্রক্রিয়াও রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থান, সরকার পতন ও সংসদ ভেঙে যাওয়ার প্রায় দেড় বছর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নিয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয় এবং ২৯৭ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। দুটি আসনের গেজেট উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত রয়েছে। ফলাফলে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে এবং তাদের মিত্ররা আরও তিনটি আসন লাভ করেছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।