ডেস্ক রিপোর্ট ॥ যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব (চুক্তিভিত্তিক) পদে কর্মরত রয়েছেন শরীফ ওমর হাদি। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদির বড় ভাই।
সম্প্রতি তিনি ফেসবুকে হাদি হত্যাকে কেন্দ্র করে একাধিক বিস্ফোরক পোস্ট দেন, যেখানে তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করেন।
তার এসব পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে—একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে তিনি এ ধরনের রাজনৈতিক ও বিতর্কিত পোস্ট দিতে পারেন কি না।
অনেকে বলছেন, তিনি সরকারি চাকরিজীবীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত নির্দেশনা তিনি অনুসরণ করেননি।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২৮ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত বা পেশাগতভাবে অসংগতিপূর্ণ বিষয়ে ফেসবুকে লেখা বা ছবি শেয়ার করতে পারবেন না। তারা কেবল সরকারি কাজের ইতিবাচক দিক ও উদ্ভাবনমূলক তথ্য প্রকাশ করতে পারবেন।
এই প্রেক্ষাপটে ওমর হাদির ফেসবুক পোস্ট নিয়ে প্রশাসনিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে।
