আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যকার কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে পাঁচ দিনের সফরে ভারতে অবস্থান করছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং। সফরকালে নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা ও নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভারত নেপিদোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে। সীমান্ত নিরাপত্তা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
সেনা অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে শুরু হওয়া রাজনৈতিক সংকট ধীরে ধীরে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। নির্বাচনে National League for Democracy অংশ নিতে পারেনি এবং সংঘাতপ্রবণ বিভিন্ন অঞ্চলে ভোটগ্রহণও বাতিল করা হয়।
এদিকে, ৮০ বছর বয়সী অং সান সু চি এখনও গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। তার অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। সম্প্রতি তার ছেলে কিম অ্যারিস দাবি করেছেন, সু চি জীবিত আছেন—এমন কোনো স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ‘Justice For Myanmar’ নামের একটি অধিকারভিত্তিক সংগঠন মিন অং হ্লাইংকে ভারত সরকারের স্বাগত জানানোর সমালোচনা করেছে। সংগঠনটির দাবি, এটি সামরিক সরকারের প্রতি বৈধতার বার্তা দেয় এবং গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
