ডেস্ক রিপোর্ট ॥ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর আওতায় গানম্যান ও ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের তথ্য উঠে আসায় সরকার এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে জুলাই আন্দোলনের নেতারা ধারাবাহিক হুমকির মুখে রয়েছেন।
আবেদনের ভিত্তিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির মনোনীত সংসদ-সদস্য প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন, জাফির তুহিন, জেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ আরও কয়েকজনকে শিগগিরই গানম্যান ও অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) সূত্র জানায়, জনবল সংকটের কারণে সবাইকে গানম্যান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অনেক আবেদনকারী শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং ব্যক্তিগত যানবাহন না থাকায় গানম্যান দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তবে যাদের ‘পটেনশিয়াল থ্রেট’ রয়েছে, তাদের অস্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, লিখিত আবেদন ছাড়া কাউকে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। রোববার পর্যন্ত ১২ জন আবেদন করেছেন এবং এ বিষয়ে দু-এক দিনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, “যাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে, তাদের গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। আর অস্ত্রের লাইসেন্স জেলা প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।”
