ডেস্ক রিপোর্ট ॥ পোস্টাল ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা না করলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত নির্বাচন কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পোস্টাল ভোট ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভোটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) স্থগিত করা হতে পারে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হচ্ছে। অনেক ভোটার ব্যালট গ্রহণ করলেও এখনো ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। কারণ প্রতীক বরাদ্দ না হওয়া পর্যন্ত ব্যালটে ভোট দেওয়া যাবে না।
ইসি সূত্র জানায়, আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ার পর ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। ভোট দেওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যালট ডাকযোগে ফেরত পাঠাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যালট না পৌঁছালে তা ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
ব্যালট পেপারে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১১৮টি প্রতীক থাকবে। এ ছাড়া ভোটারদের মতামত জানানোর জন্য ‘না’ ভোটের চিহ্নও সংযুক্ত থাকবে।
নির্বাচন কমিশন আশা প্রকাশ করে বলেছে, ভোটাররা আইন মেনে দায়িত্বশীল আচরণ করবেন এবং পোস্টাল ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালন করবেন।
