ঢাকারবিবার , ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নির্বাচনী প্রচারণায় লাউডস্পিকারে সময়সীমা নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদন
জানুয়ারি ২৫, ২০২৬ ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ নির্বাচনী প্রচারণায় শৃঙ্খলা ও জনদুর্ভোগ কমাতে রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের বাইরে শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার করা হলে তা আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি ২০২৫ অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি শুধুমাত্র দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে লাউডস্পিকার বা মাইক ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন। এর বাইরে কোনো সময় এসব যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

বিধিমালায় প্রতি সমাবেশে সর্বোচ্চ তিনটি লাউডস্পিকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এই সীমা প্রযোজ্য নয়। শব্দের মাত্রা অবশ্যই ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে।

নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কাছ থেকে আলাদা অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকেও জরিমানা করার ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে দলের পাশাপাশি তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। প্রার্থীর দেওয়া অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে, তিনি ও তার নির্বাচনী সহযোগীরা আইন লঙ্ঘন করলে প্রচলিত বিধান অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেবেন।

আইনে বলা হয়েছে, আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা আরোপের বিধান রয়েছে। গুরুতর ক্ষেত্রে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন তুলি বলেন, “রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ব্যবহার করা স্পষ্টভাবে আইনভঙ্গ। আচরণবিধিতে এ বিষয়ে পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে। আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।