ঢাকাসোমবার , ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরির খবর
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জাতীয়
  12. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জনগণের সামনে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে যা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদন
জানুয়ারি ২৬, ২০২৬ ৫:৩২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ জাতীয় নির্বাচনের দিনই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যুক্ত হতে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ গণভোট, যার মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের বিষয়ে জনগণের চূড়ান্ত মতামত নেওয়া হবে।

ভোটাররা সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি আলাদা একটি ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেবেন। যদিও ব্যালটে মাত্র চারটি সংক্ষিপ্ত বিষয় থাকবে, বাস্তবে এর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের ৮৪টি প্রস্তাব।

সরকারের দাবি, এই গণভোট একটি নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি স্থাপন করবে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট মানেই শোষণ ও নিপীড়নের রাজনীতি থেকে মুক্তির পথে অগ্রসর হওয়া।

জুলাই সনদে থাকা ৮৪টি সংস্কারের মধ্যে ৪৭টি সংবিধান সংশোধন এবং ৩৭টি আইন ও প্রশাসনিক সংস্কার। এসব প্রস্তাব সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে প্রণীত হলেও সব বিষয়ে ঐকমত্য হয়নি। বিএনপি ও জামায়াতসহ কয়েকটি দল ভিন্নমত দিয়েছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আগামী সংসদ বাধ্যতামূলকভাবে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন করবে। পাশাপাশি একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে ২৭০ দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলে সরকারের প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যকর হবে। আর ‘না’ জয়ী হলে পুরো জুলাই সনদ বাতিল হবে।

জুলাই সনদের অন্যতম আলোচিত প্রস্তাব হলো—রাষ্ট্রভাষা বাংলা থাকলেও অন্যান্য মাতৃভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং নাগরিক পরিচয় ‘বাংলাদেশি’ করা। এছাড়া সংবিধান সংশোধনে কিছু ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক, মৌলিক অধিকারের তালিকায় ইন্টারনেট ব্যবহারের অধিকার ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনতে জরুরি অবস্থা ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা বাতিল, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দুইবারে সীমাবদ্ধ এবং গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে।

সংসদ সংস্কারে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন, দ্বিকক্ষ সংসদ, নারীদের সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি এবং ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নির্বাচনের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত। একইসঙ্গে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ এবং নির্বাচন কমিশন গঠনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

আইন ও বিচার বিভাগে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ আপিল বিভাগ থেকে, স্বাধীন নিয়োগ কমিশন এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতার প্রস্তাব রয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণভোটের ব্যালটে সীমিত তথ্য থাকায় ভোটাররা প্রকৃত প্রভাব না বুঝেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, যা গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলছে।

সূত্র/বিবিসি বাংলা

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।