ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মধ্য দিয়ে আবারও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে মুখর হয়ে উঠেছে পূর্বাচল। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফসি) মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
১৯৯৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নিয়মিত আয়োজন করা হতো। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলার মূল লক্ষ্য ছিল দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বিপণনে সহায়তা করা।
করোনা মহামারির কারণে ২০২১ সালে মেলা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে মহামারির বিধিনিষেধের মধ্যেই ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো মেলা পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও পূর্বাচলেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেলার ৩০তম আসর।
এবারের মেলায় প্রযুক্তিনির্ভর নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইনে স্টল বরাদ্দের পাশাপাশি ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করায় দর্শনার্থীদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিউআর কোড স্ক্যান করে মেলায় প্রবেশের সুযোগ থাকায় সময় সাশ্রয় হবে।
দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিআরটিসির ডেডিকেটেড বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কনসেশনাল রেটে ‘পাঠাও’ সার্ভিস যুক্ত হওয়ায় ব্যক্তিগত পরিবহনের ওপর চাপ কমবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
প্রসঙ্গত, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পরে অনুষ্ঠিত হয়। সব মিলিয়ে এবারের বাণিজ্য মেলা ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক আয়োজনের মাধ্যমে নতুন মাত্রা পেয়েছে।
